ভিডিও তৈরি আর এডিট করার ঝক্কি এবার অনেকটাই কমে গেল। ইউটিউব সম্প্রতি চালু করেছে একগুচ্ছ নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) টুল, যা দিয়ে ব্যবহারকারীরা আরও দ্রুত ও মজার উপায়ে কনটেন্ট বানাতে পারবেন।
সবচেয়ে আলোচিত ফিচার হলো Veo 3 Fast। গুগল ডিপমাইন্ডের তৈরি এই আধুনিক ভিডিও জেনারেশন মডেল শুধু লেখা প্রম্পট থেকে ভিডিও বানাতে সক্ষম। বিশেষত্ব হলো—এখন থেকে ভিডিওর সঙ্গে থাকবে শব্দও। শুরুর ধাপে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ব্যবহারকারীরা এটি ব্যবহার করতে পারবেন।
এর পাশাপাশি ইউটিউব শর্টসে আসছে আরও কিছু অভিনব সুবিধা। যেমন—
- Add Motion: স্থির ছবিকে নড়াচড়া করানো যাবে অন্য ভিডিওর মুভমেন্ট ব্যবহার করে।
- Stylize: ভিডিওতে ভিন্ন ভিন্ন স্টাইল বা আর্ট ইফেক্ট যোগ করা যাবে, যেমন পপ-আর্ট বা অরিগামি।
- Add Objects: শুধু লিখে জানালেই ভিডিওতে যুক্ত হবে নতুন চরিত্র বা কোনো অবজেক্ট।
এছাড়া ভিডিও এডিট করা সহজ করতে ইউটিউব এনেছে Edit with AI। আপনার মোবাইলের ক্যামেরা রোল থেকে সেরা ক্লিপ বেছে নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও বানাবে এই টুল। সঙ্গে থাকবে মিউজিক, ট্রানজিশন আর ভয়েসওভার। ভয়েসওভার পাওয়া যাবে ইংরেজি ও হিন্দি ভাষায়।
আরও একটি মজার ফিচার হলো Speech to Song। কোনো ভিডিওর সংলাপ বা লাইনকে গান বানিয়ে ফেলা যাবে সহজেই। এর জন্য ব্যবহার হচ্ছে ডিপমাইন্ডের নতুন মিউজিক মডেল Lyria 2। চাইলে গানকে ভিন্ন ভিন্ন আবহে রূপ দেওয়া যাবে—চিল, ড্যান্সেবল বা মজার।
স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রতিটি AI-তৈরি ভিডিওতে যুক্ত থাকবে ওয়াটারমার্ক ও বিশেষ লেবেল, যাতে বোঝা যায় কনটেন্টটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি।
ইউটিউব বলছে, এই নতুন টুলস ক্রিয়েটরদের জন্য ভিডিও বানানোর জগৎকে আরও সহজ, প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল করে তুলবে।

সূত্র:
• YouTube-এর নতুন ক্রিয়েটিভ AI টুলগুলোর অফিসিয়াল ঘোষণা – Unpacking the magic of our new creative tools blog
• TechCrunch এর আর্টিকেল: YouTube announces new generative AI tools for Shorts creators

Leave a Reply