কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ

শেয় হওয়ায় এই ফুটবল বিশ্বকাপে ফুটবলারদের বাইরে যিনি সব চেয়ে আলোচিত ছিলেন তিনি হলেন দুনিয়ার সবচেয়ে ‘হট’ প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ। রানার-আপ ক্রোয়েশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান আবার বর্তমানে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নারী প্রেসিডেন্টও।
ক্রোয়েশিয়ার প্রতি ম্যাচেই দেখা গেছে তার ঝলমলে উপস্থিতি। ক্রোয়েশিয়ার সব ম্যাচে যে কোনো উত্তেজনার পরই ক্যামেরা তাক করে থাকে এই আবেদনময়ী প্রেসিডেন্টের দিকেই। শুধু মাঠে ভাত্রেনি (ক্রোয়েশিয়া ফুটবল দলের ডাকনাম। মানে রূপকথার বালক!) কে সমর্থন করাই নয়, ফুটবলারদের অনুপ্রেরণা দিতে ড্রেসিংরুমেও হাজির ছিলেন ‘হটেস্ট’ প্রেসিডেন্ট। এমনকী জয়ের পর প্রত্যেক ফুটবলারকে নাকি জড়িয়েও ধরেছিলেন তিনি। তার বক্তব্য, ‘আসলে ভিভিআইপি বক্সে বসে খেলা দেখলে প্রথাগত পোশাক পরতে হয়। দলের হয়ে গলা ফাটাতেও সমস্যা হয়, তাই স্টেডিয়ামে বসেই খেলাটা উপভোগ করতে চাই আমি।’
ক্রোয়েশিয়া থেকে আর পাঁচজন সাধারণ নাগরিকের মতো তিনি ইকোনমি ক্লাসের টিকিট কাটেন। সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গেই উড়ে আসেন রাশিয়ায়। আর পাঁচজন ফুটবল সমর্থকের মতোই লাইনে দাঁড়িয়ে সংগ্রহ করেন বিশ্বকাপের ফ্যান আইডি। তারপর সটান স্টেডিয়ামে। প্রিয় দলের জয়ে উচ্ছ্বাসও তাঁর ছিল আর পাঁচজন সাধারণ সমর্থকের মতোই। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেইসব ছবি শেয়ার করেছেন কোলিন্দা নিজেই। কোলিন্দা গ্রাবার-কিতরোভিচ একাধারে ক্রোয়েশিয়ার প্রশাসনিক প্রধান, সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক, আবার ফুটবল ভক্তও। তবে, আর পাঁচজন রাষ্ট্রনায়কের মতো ভিভিআইপি বক্সে বসে খেলা দেখতে পছন্দ করেন না কোলিন্দা।
রাশিয়ায় গিয়ে কোলিন্দা গ্রাবার-কিতরোভিচ কূটনীতি যতটুকুই করেছেন, সেটিও ফুটবলকেন্দ্রিক। পুতিন ছাড়াও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে উপহার দিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার জার্সি। বিশ্বকাপের মাঝে অনুষ্ঠিত ন্যাটোর সম্মেলনে গিয়ে জার্সি উপহার দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। ভ্লাদিমির পুতিনকে জার্সি উপহার দেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্রাবার-কিতরোভিচ।
প্রেসিডেন্টের অফিসের দায়িত্ব নেয়ার পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার ভাইরাল হয়েছে এই রাষ্ট্রনেতার ছবি। এক সময় তাঁর বিকিনি শোভিতা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুফান তুলেছে। তখন তাঁর দেহ-বিভঙ্গে শুধু দেশবাসীই নন, মজেছে আপামর দুনিয়া। অনেকের মতে, বিশ্বে এমন রূপসী এবং যৌন আবেদনময়ী রাষ্ট্রনেতা এ যাবৎ দেখা যায়নি। তবে সৈকতাবাসে অবসর যাপনের সময় প্রেসিডেন্টের লাস্যময়ী রূপ ঠিক কবে ক্যামেরাবন্দি হয়েছিল, সেই ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত সঠিক তথ্য মেলেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যৌন আবেদনপূর্ণ রূপসী প্রেসিডেন্টের ছবি প্রকাশিত হতেই অভিনন্দন ও প্রশংসার ঝড় বয়ে গিয়েছিল। কারও কারও অভিমত, দেশের সর্বোচ্চ পদে বসার আগেই এই ছবিগুলি তোলা হয়েছিল। তাঁর সম্পর্কে ট্যুইটারে নানা মজাদার মন্তব্য চলে বছরভর। সেই সব মন্তব্য পড়লে প্রেসিডেন্ট গ্র্যাবার কিতারোভিচ হয়তো হেসে গড়িয়ে পড়বেন। তবে সরকারি ভাবে এসব সম্পর্কে তিনি নির্লিপ্ত। যেন পাত্তাই দেন না কোনও সমালোচনায়।
১৯৬৮ সালের ২৯ এপ্রিল  ক্রোয়েশিয়ার রিজিকা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন কোলিন্দা গ্র্যাবার। ওই সময় ক্রোয়েশিয়া যুগোস্লাভিয়ার অধীনে ছিল। ১৯১৮ সালে দক্ষিণ ইউরোপে সার্বিয়া, মন্টেনিগ্রো, স্লোভানিয়া, মেসিডোনিয়া, ক্রোয়েশিয়া আর বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা মিলে গঠিত হয় নতুন রাষ্ট্র যুগোস্লাভিয়া। পরে নব্বইয়ের দশকে একে একে চারটি যুদ্ধের মাধ্যমে ক্রোয়েশিয়া, মেসিডোনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা আর স্লোভেনিয়া স্বাধীন হয়ে গেলে ইতিহাসে বিলীন হয়ে যায় যুগোস্লাভিয়া নামের দেশটি। ২০১৫-র ১৫ ফেব্রুয়ারি, ক্রোয়েশিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রথম মহিলা তথা দেশের চতুর্থ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ।
কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ ক্রোয়েশিয়ার সব চেয়ে বড় এবঙ পুরন বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অফ জাগরেব-এর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ইংরেজি এবং স্প্যানিশ ভাষা এবং সাহিত্যে গ্রাজুয়েশন করেন। এর পরে ডিপ্লোমা কোর্স করেন অস্ট্রিয়ার ডিপ্লোমেটিক একাডেমী অফ ভিয়েনা থেকে। আবার ফিরে আসেন ইউনিভার্সিটি অফ জাগরেব-এ। রাজনৈতিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে মাস্টার্স করেন। ফুলব্রাইট স্কলার হিসাবে যোগ দিয়ে ছিলান জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি। ছিলন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্টের লুকশিকে ফেলোশিপ। এছাড়া ভিজিটিং স্কলার ছিলেন জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ অ্যাডভান্সড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিসের। এখানে শেষ নয় মেধাবী এই নারীর পড়াশুনা – ২০১৫ তে ডক্টরাল ডিগ্রির জন্য আবার যোগ দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ জাগরেব-এর  রাজনৈতিক বিজ্ঞান অনুষদে।
কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ ১৯৯২ সালে ক্রোয়েশিয়ার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগে যোগদেন। পরের বছর যোগ দেন রাজনৈতিক দল ক্রোয়েশিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (এইচডিজেড)-এ। এর পরে প্রশসনে এবং কুটনৈতিক আঞ্গনে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৩ সালে সংসদ নির্বাচিত হন। দুই বছর পরে পররাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইন্টিগ্রেশন মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পান। তার নেতৃত্বগুন এবং রাজনৈতিক ক্যরিশমা দুত তাকে নিয়ে যায় দেশটির সর্বচ্চ পদে।
ব্যক্তি জীবনে ১৯৯৬ সালে তিনি জ্যাকব কিতারোভিচ নামের একজনকে বিয়ে করেন। ৫০ বছর বয়সী এই আবেদনময়ী রাজনৈতিক নেত্রী দুই সন্তানের জননী। তার মেয়ে ক্যাটরিনার বয়স ১৭ বছর। আর ছেলে লোকার বয়স ১৫ বছর। কলিন্ডা ক্রোয়েশিয়ান ছাড়াও ইংরেজি, স্প্যানিশ ও পর্তুগীজ ভাষায় দুরন্ত। এছাড়া জার্মান, ফ্রেঞ্চ ও ইতালিয়ান ভাষাও তিনি বুঝতে পারেন।

কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ ব্যক্তি জীবন

১৯৬৮ সালের ২৯ এপ্রিল  ক্রোয়েশিয়ার রিজিকা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন কোলিন্দা গ্রাবার। ওই সময় ক্রোয়েশিয়া যুগোস্লাভিয়ার অধীনে ছিল। ১৯১৮ সালে দক্ষিণ ইউরোপে সার্বিয়া, মন্টেনিগ্রো, স্লোভানিয়া, মেসিডোনিয়া, ক্রোয়েশিয়া আর বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা মিলে গঠিত হয় নতুন রাষ্ট্র যুগোস্লাভিয়া। পরে নব্বইয়ের দশকে একে একে চারটি যুদ্ধের মাধ্যমে ক্রোয়েশিয়া,মেসিডোনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা আর স্লোভেনিয়া স্বাধীন হয়ে গেলে ইতিহাসে বিলীন হয়ে যায় যুগোস্লাভিয়া নামের দেশটি। ২০১৫-র ১৫ ফেব্রুয়ারি, ক্রোয়েশিয়া প্রজাতন্ত্রের প্রথম মহিলা তথা দেশের চতুর্থ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ।

তার পরিবারের কসাইের দোকান এবং একটি খামার ছিল। ১৭ বছর বয়সে স্কুল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের আওতায় তিনি পাড়ি জমায় নিউ মেক্সিকোর লস আলামোসে। সেখান থেকেই শেষ করেন হাই-স্কুল। এর পরে ফিরে আসেন ক্রোয়েশিয়ায়। ভর্তি হন দেশের সব চেয়ে বড় এবং পুরন বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অফ জাগরেব-এর মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে ইংরেজি এবং স্প্যানিশ ভাষা এবং সাহিত্যে গ্রাজুয়েশন করেন। এর পরে ডিপ্লোমা কোর্স করেন অস্ট্রিয়ার ডিপ্লোমেটিক একাডেমী অফ ভিয়েনা থেকে। আবার ফিরে আসেন ইউনিভার্সিটি অফ জাগরেব-এ। রাজনৈতিক বিজ্ঞান অনুষদ থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কে মাস্টার্স করেন। ফুলব্রাইট স্কলার হিসাবে যোগ দিয়ে ছিলান জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি। ছিলন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির কেনেডি স্কুল অফ গভর্নমেন্টের লুকশিকে ফেলোশিপ। এছাড়া ভিজিটিং স্কলার ছিলেন জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ অ্যাডভান্সড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিসের। এখানে শেষ নয় মেধাবী এই নারীর পড়াশুনা – ২০১৫ তে ম্যাডাম প্রেসিডেন্ট ডক্টরাল ডিগ্রির জন্য আবার যোগ দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অফ জাগরেব-এর  রাজনৈতিক বিজ্ঞান অনুষদে।

ব্যক্তি জীবনে ১৯৯৬ সালে তিনি জ্যাকব কিতারোভিচ কে বিয়ে করেন। ৫০ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক নেত্রী দুই সন্তানের জননী। তার মেয়ে ক্যাটরিনার বয়স ১৭ বছর। আর ছেলে লোকার বয়স ১৫ বছর। কলিন্ডা ক্রোয়েশিয়ান ছাড়াও ইংরেজি, স্প্যানিশ ও পর্তুগীজ ভাষায় দুরন্ত। এছাড়া জার্মান, ফ্রেঞ্চ ও ইতালিয়ান ভাষাও তিনি বুঝতে পারেন।

কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ রাজনৈতিক জীবন
‘হটেস্ট প্রেসিডেন্ট’ কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ তার ক্যারিয়ার শুরু করেন ১৯৯২ সালে ক্রোয়েশিয়ার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগে যোগ দানের মধ্য দিয়ে। প্রশসনে এবং কুটনৈতিক আঞ্গনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
১৯৯৩ সালে তিনি যোগ দেন রাজনৈতিক দল ক্রোয়েশিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (এইচডিজেড)-এ। এই বছরই তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা হিসাবে বদলি করা হয়। ১৯৯৫ সালে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকার বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পান। ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্বে ছিলেন। এর পরে তিনি চলে যান কানাডায় ক্রোয়েশীয় দূতাবাসে ডিপ্লোমেটিক কাউন্সেলর হয়। ১৯৯৮ থেকে তিনি দূতাবাসের মিনিস্টার-কাউন্সিলরের দায়িত্ব পান।
২০০০ সালের নির্বাচনে ক্রোয়েশিয়ার ক্ষমতায় আসে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি অফ ক্রোয়েশিয়া (এসডিপি)। নতুন প্রশাসন বাতিল করে দেয় ক্রোয়েশিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের সকল রাজনৈতিক নিয়োগ। কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ কে ৬ সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফেরার নির্দেশ দেয়া হয়। কিন্তু সেসময় তিনি সন্তানসম্ভবা ছিলেন – এবং তিনি চাচ্ছিলেন কানাডায় তার সন্তানকে জন্ম দিতে। সরকারি নিদের্শ প্রত্যাক্ষান করে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারসিপের জন্য আবেদন করেন জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে। ফুলব্রাইট স্কলারসিপ পেয়ে গেলে চলে যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই জন্ম হয় তার প্রথম কন্যাসন্তানের। গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২ বছর পরে ফিরে আসেন ক্রোয়েশিয়ায়।
সিদ্ধান্ত নেন ক্রোয়েশিয়ান পার্লামেন্টের নির্বাচনে অংশ নেয়ার। ২০০৩ সালে তিনি তার রাজনৈতিক দল ক্রোয়েশিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের মনোনয়নে সংসদ নির্বাচিত হন। ক্ষতায় ক্রোয়েশিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন ফিরি আসলে তিনি ইউরোপীয় ইন্টিগ্রেশন মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পান। দায়িত্ব পেয়ে তিনি ক্রোয়েশিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্কে নতুন দিগন্ত উন্মেচন করেন। দুই বছর পরে পররাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইন্টিগ্রেশন মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পান। তার কূটনৈতিক জ্ঞান, নেতৃত্বগুন এবং রাজনৈতিক ক্যরিশমা দুত তাকে স্পর্টলাইটে নিয়ে যায়।
পরের নির্বচনে জিতে ক্ষমতায় থেকে যায় ক্রোয়েশিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কেবিনেটে আবার জায়গা হয় কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচের। কিন্তু ২০০৮ সালে তাকে ‘অজানা করাণে’ ক্ষমতাচূত করা হয়। তবে সেই বছরই তৎকালিন প্রেসিডেন্ট তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রোয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব দেন। ওয়াশিংটন ডিসি তে থাকার সময় এক কেলেংকারিতে জড়িয় পড়ে তার নাম। তারা স্বামীর নীতিমালা ভেঙে ব্যক্তিগত কাজের দূতাবাসের অফিসিয়াল গাড়ী ব্যবহারকে কেন্দ্র করে এই ঘটনার সূত্রপাত হয়।
২০১১ সালে রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ন্যাটো’র সহকারী মহাসচিবের দায়িত্ব নেন। প্রধানন্ত্রীকে না জানিয়ে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেয়ায় সমালোচান মুখে পড়ে তিনি। তার এমন সিদ্ধান্তের জন্য ৯ মাস ফাঁকা ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্রোয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতের পদ। এর মধ্যে সাধারণ নির্বাচনে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাড়তে থাকে তার রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা।
ক্রোয়েশীয় দৈনিক পত্রিকার জুটর্নজি লিস্ট ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে বলে, আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্রোয়েশিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের প্রার্থী হবেন কোলিন্দা গ্রাবার-কিতারোভিচ। সেই সময় অনেকে এটাকে নিছক ভবিষ্যতবানি মনে করলেও ২০১৪ নিশ্চিত করা হয় তিনিই হচ্ছেন প্রার্থী। রাষ্ট্রপতি নির্বচনে প্রথম দফয় ভোটো তিনি পেয়ে ছিলেন ৩৭ দশমিক দুই শতাংশ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদন্দি পেয়েছিলন ৩৮ দশমিক পাঁচ শতাংম বোট। দ্বিতীয় দফার ‘রান-অফ’-এ প্রয়োজনীয় ৫০ দশমিক সাত শাতাংশ ভোটে পেয়ে ক্রোয়েশিয়ার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।